বড়দিনের গান — পরিবারের সবার নাম দিয়ে

উৎসব ও বিশেষ দিন

বড়দিনের গান — পরিবারের সবার নাম দিয়ে

ঠাম্মার হাতের প্লাম কেক, গির্জার মোমবাতি, শীতের পিকনিক আর পরিবারের সবার নাম — সব মিলিয়ে একটা বড়দিনের গান, গাছের পাশে বাজানোর বা দূরের আপনজনকে পাঠানোর।

এই গানটা বানান

প্রথম গান বিনামূল্যে — কার্ড লাগবে না।

বড়দিন কবে?

তারিখ দেশভেদে আর বছরভেদে বদলায় — আপনার ওখানে কবে, এখানে দেখে নিন।

202620272028
ভারত২৫ ডিসেম্বর২৫ ডিসেম্বর২৫ ডিসেম্বর

ডিসেম্বর এলেই পার্ক স্ট্রিটে আলোর মালা, ব্যান্ডেল চার্চের পথে ভিড়, দোকানে দোকানে কেক আর সেই একই কয়েকটা ইংরেজি ক্যারল। বাঙালির বড়দিন অবশ্য শুধু গির্জার নয় — খ্রিস্টান পরিবারে মাঝরাতের প্রার্থনা আর বাড়িতে বানানো কেক, আর অনেক ঘরে স্রেফ ছুটির দিনের পিকনিক, কমলালেবু আর জয়নগরের মোয়া। এর মধ্যে যে গানটা আপনার পরিবারের কাছে সবচেয়ে দামি হবে, সেটা এখনো তৈরিই হয়নি — ঠাম্মার কেক, ভাইবোনদের লুডোর লড়াই আর নতুন বাড়ির প্রথম বড়দিনের গান।

লিখুন কারা একসঙ্গে বড়দিন কাটান, কোন রীতিটা শুধু আপনাদের, আর এ বছর কী কী ঘটল। কথা, উৎসবের সুর আর আসল কণ্ঠ মিলিয়ে গান তৈরি হয় মোটামুটি এক মিনিটে। ২৫ ডিসেম্বর সকাল পর্যন্ত বন্ধ রাখা উপহার হিসেবে পাঠান, বড়দিনের কার্ডে গান-বাজানো QR কোড দিন, কিংবা সবাই খেতে বসলে চালিয়ে দিন।

আমাদের বানানো একটা গান শুনুন

গলা ছেড়ে গান

Pop, female vocals · 2:39

“সেরা বন্ধুদের সাথে গরমের ছুটিতে লং ড্রাইভ, জানালা খোলা, গলা ছেড়ে গান”

এমন একটি তৈরি করুন

বড়দিনের গানে কী রাখবেন

  • 1

    টেবিলের চারপাশে সবার নাম — সবচেয়ে ছোট নাতনি থেকে শুরু করে সেই নতুন জামাই, যার এটাই এ বাড়ির প্রথম বড়দিন।

  • 2

    আপনাদের নিজস্ব রীতি: চব্বিশের রাতে গির্জায় যাওয়া, গোয়াল-ঘরের মডেল সাজানো, সবাই মিলে তারার আলো টাঙানো।

  • 3

    বড়দিনের খাবার: বাড়িতে ওভেন ছাড়া কড়াইয়ে বানানো কেক, মাংসের ঝোল, শীতের পিঠে, নলেন গুড়ের মিষ্টি।

  • 4

    বছরের হিসেব এক অন্তরায় — যেন পরিবারের বার্ষিক চিঠি, পড়ার বদলে গাওয়া।

  • 5

    শীতের ছবি: কুয়াশা-ঢাকা সকাল, কমলালেবুর খোসা, নদীর ধারে পিকনিক, চড়ুইভাতির খিচুড়ি।

  • 6

    এ বছর কেউ নেই — খুব আলতো করে, তাঁর নামে একটা মোমবাতি, একটা লাইন।

  • 7

    কোরাসের জন্য মজার একটা খুঁটিনাটি: যে বেড়াল গাছের তারা টেনে নামায়, যে মামা প্রতিবার সান্টা সেজে ধরা পড়েন।

  • 8

    যিনি রান্নাঘর সামলান, তাঁকে আলাদা করে একটা ধন্যবাদ।

গাছের পাশে গাওয়ার কোরাস

ঘণ্টা বাজে গির্জায়, তারা জ্বলে দোরে,

ঠাম্মার হাতের কেকের গন্ধ সারা ঘরে,

জোজো আর টুপুর গাছের নিচে হাসে —

বড়দিন এল আবার সবার কাছে কাছে।

এবারের বড়দিনে গানটা কীভাবে দেবেন

  • গাছের নিচে, ডিজিটালি। উপহারের লিংক এখনই পাঠান, বড়দিন পর্যন্ত বন্ধ রাখুন; পাতায় কাউন্টডাউন চলবে, আর ২৫ তারিখ সকালে ফোনেই মোড়ক খোলা যাবে — দূরে থাকলেও উপহার খোলার মুহূর্তটা থাকে।
  • কার্ডের সঙ্গে। সাবস্ক্রিপশন থাকলে QR কোডসহ বড়দিনের কার্ড বা পোস্টার প্রিন্ট করুন — দাদু-দিদিমা বা বিদেশে থাকা আত্মীয়দের জন্য।
  • খাওয়ার টেবিলে। মাংস আর কেকের মাঝখানে চালিয়ে দিন — যখন সবাই একসঙ্গে, আর অবশেষে শান্ত হয়ে বসেছে।
  • পরিবারের গ্রুপে। বড়দিনের ছবি দিয়ে লিরিক ভিডিও বানিয়ে চব্বিশের রাতে পরিবারের চ্যাটে পাঠান।

কোন সুর আপনার পরিবারের বড়দিনে মানায়

বেশির ভাগ পরিবার চায় চেনা উৎসবের আমেজ: ঘুঙুর-ঘণ্টার পপ, কিংবা নরম পিয়ানো ব্যালাড নিরিবিলি মুহূর্তের জন্য। যিশুর জন্ম, শান্তি আর কৃতজ্ঞতার কথা থাকলে কয়্যারের ঢঙে গাওয়া গান বা বাংলার পুরোনো খ্রিস্টীয় কীর্তনের মতো খোল-করতালের সুর সবচেয়ে ভালো মানায়। ছোটদের জন্য সান্টা ক্লজ, বলগা হরিণ আর ওদের নিজেদের উপহারের তালিকা নিয়ে লাফানো ছন্দের গান। আর যদি আপনাদের বড়দিন মানে বন্ধুদের সঙ্গে শীতের পিকনিক, তাহলে চাইতে পারেন হাসিখুশি অ্যাকুস্টিক গান। বর্ণনায় মেজাজটা লিখে দিন — কথা আর সুর সেই পথেই যাবে, আর গানের ভাষাও আপনি নিজে বেছে নিতে পারেন।

  1. 01

    কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর দিন

    নাম, স্মৃতি, যেমন মেজাজ চান। যা ইচ্ছা বাদ দিতে পারেন।

  2. 02

    আমরা লিখি আর গাই

    কথা, সুর, কণ্ঠ আর কভার আর্ট — সবই আপনার উত্তর ঘিরে তৈরি।

  3. 03

    তাদের শোনান

    MP3 ডাউনলোড করুন, লিংক শেয়ার করুন, অথবা সেখানেই বাজিয়ে দিন।

প্রশ্ন ও উত্তর

খ্রিস্টান নই, তবু বড়দিনে পরিবারের জন্য গান বানাতে পারি?

পারেন। অনেক বাঙালি ঘরে বড়দিন মানে ছুটি, কেক আর শীতের পিকনিক — গানটা সেই আনন্দ আর পরিবারের গল্প নিয়েই হতে পারে, ধর্মীয় কথা ছাড়াই।

ধর্মীয় ভাবের বড়দিনের গান কি বানানো যায়?

যায়। যে বার্তা চান লিখুন — যিশুর জন্ম, প্রার্থনা, শান্তি, কৃতজ্ঞতা — কথা সেভাবেই লেখা হবে। কয়্যার বা কীর্তনের ঢঙ এমন গানে সুন্দর মানায়।

গানটা কি সান্টার তরফ থেকে বাচ্চাদের জন্য হতে পারে?

পারে। লিখুন যে সান্টা ক্লজ আপনার বাচ্চাদের নাম ধরে গাইছে, এ বছর ওরা কী ভালো করেছে, আর ওদের উপহারের তালিকার একটা ইঙ্গিত — গান সেভাবেই হবে।

এ বছর যাঁকে হারিয়েছি, তাঁকে কি গানে রাখা যায়?

যায়, খুব যত্ন করে — একটা লাইন, একটা জ্বালানো মোমবাতি বা তাঁর জন্য রাখা একটা খালি চেয়ারই অনেক সময় যথেষ্ট। লিখে দিন গানটা উষ্ণ রাখতে চান, বিষণ্ণ নয়।

বড়দিনের গানের খরচ কত?

নতুন অ্যাকাউন্টে প্রথম গান পুরোপুরি বিনামূল্যে, কার্ডের তথ্য লাগে না। এর পরের গানের জন্য লাগে ক্রেডিট — সাবস্ক্রিপশন অথবা একবারের প্যাক।

আরও উপলক্ষ

আপনার গান মাত্র একটি বাক্য দূরে।

বলুন গানটা কার জন্য আর কী ঘটেছে। বাকিটা আমরা সামলে নেব।