
গলা ছেড়ে গান
Pop, female vocals · 2:39
“সেরা বন্ধুদের সাথে গরমের ছুটিতে লং ড্রাইভ, জানালা খোলা, গলা ছেড়ে গান”
এমন একটি তৈরি করুন
উৎসব ও বিশেষ দিন
ছাদের পাঁচিলে সারি সারি প্রদীপ, দরজায় আলপনা, ঘরে ফেরা সবাই — দীপাবলির রাতের একটা গান, যার কথায় আপনাদের বাড়ির মানুষগুলোর নাম।
এই গানটা বানানপ্রথম গান বিনামূল্যে — কার্ড লাগবে না।
তারিখ দেশভেদে আর বছরভেদে বদলায় — আপনার ওখানে কবে, এখানে দেখে নিন।
| 2026 | 2027 | 2028 | |
|---|---|---|---|
| ভারত | ৮ নভেম্বর | ২৯ অক্টোবর | ১৭ অক্টোবর |
বাঙালির দীপাবলি মানে আলোর সঙ্গে কালীপুজোর রাত। আগের সন্ধ্যায় ভূত চতুর্দশী — চোদ্দো প্রদীপ জ্বালানো আর দুপুরে চোদ্দো শাক; তারপর অমাবস্যার রাতে ছাদ, বারান্দা, জানলায় মাটির প্রদীপ আর মোমবাতি, পাড়ায় পাড়ায় প্যান্ডেল, বাড়িতে নারকেল নাড়ু আর মিষ্টি; দুদিন পরে ভাইফোঁটায় ভাইয়ের কপালে দিদির চন্দনের ফোঁটা। কলকাতা থেকে মফস্বল, আর দেশের বাইরে যেখানে বাঙালি পরিবার আছে — রাতটা একই রকম আলো-ঝলমলে।
মিষ্টি আর নতুন জামার পাশে এবার একটা গানও রাখুন। বাড়ির সবার নাম, আপনারা কীভাবে উৎসব করেন আর এ বছর কী চাইছেন, লিখে দিন; সেই কথা দিয়েই লিরিক লেখা হবে আর আসল কণ্ঠে গাওয়া হবে, বাংলায়, হিন্দিতে বা অন্য ভাষায়, প্রায় এক মিনিটে। পুজোর পরে বাজান, ছাদের আড্ডায়, বা দূরে থাকা কারও ভিডিও কলে।

Pop, female vocals · 2:39
“সেরা বন্ধুদের সাথে গরমের ছুটিতে লং ড্রাইভ, জানালা খোলা, গলা ছেড়ে গান”
এমন একটি তৈরি করুনসবার নাম আর ডাক — ঠাম্মা, দিদা, বাবা-মা, দাদাভাই, বোনু, আর সেই খুড়তুতো ভাইবোনেরা যারা শুধু পুজোর সময়ই আসে।
আপনাদের বাড়ির আলো: ছাদের পাঁচিলে প্রদীপের সারি, প্রতি বছর বাবা যে টুনি বাল্বের জট ছাড়ান, জানলার কাচে মোমবাতির ছায়া।
দরজার আলপনা — কে আঁকে চালের গুঁড়ো গুলে, আর কে প্রতিবার না দেখে মাড়িয়ে দেয়।
ভূত চতুর্দশীর সন্ধে: চোদ্দো প্রদীপ আর ঠাকুমার গল্প, যেগুলো শুনে ছোটরা অর্ধেক ভয় পায় আর অর্ধেক হাসে।
যে মিষ্টি মানেই আপনাদের দীপাবলি: নারকেল নাড়ু, তিলের নাড়ু, কাজু বরফি, পাড়ার দোকানের সন্দেশ।
ভাইফোঁটার কথা — “ভাইয়ের কপালে দিলাম ফোঁটা” — ভাই-বোনের একটা লাইন গানটাকে পুরো উৎসবের করে তোলে।
দূরে থাকা কেউ: অন্য শহরে প্রথম চাকরিতে যাওয়া মেয়ে, বিদেশের হস্টেলে একা প্রদীপ জ্বালানো ভাই।
নতুন বছরের একটা শুভকামনা — অন্ধকার পেরিয়ে আলো, সবার মঙ্গল — সহজ আর আন্তরিক।
জ্বলুক প্রদীপ সারি সারি, ছাদের কিনারায়,
মৌ-এর হাতের আলপনা আজ দরজা সাজায়,
ঠাম্মার নাড়ু, দাদাভাই ফিরল ঘরে —
শুভ দীপাবলি, আলো থাকুক সবার অন্তরে।
দীপাবলিতে দুটোরই জায়গা আছে। ছাদের আড্ডা বা বন্ধুদের পার্টির জন্য ঢাক-ঢোলের তালে উজ্জ্বল পপ বা বলিউড-ঘেঁষা গান, বড় মুখড়া সমেত। পুজোর জন্য বা ঠাকুমা-দাদুর জন্য চেয়ে নিন শান্ত, ভক্তিমূলক আবহ — হারমোনিয়াম, খোল, নরম গলা, শ্যামাসংগীতের মতো চাল — আর কথা থাকুক আলো, কৃতজ্ঞতা আর পরিবার নিয়ে। মা কালীর নাম বা কোনো মন্ত্র রাখতে চাইলে বর্ণনায় ঠিক যেভাবে আপনারা বলেন সেভাবেই লিখুন। প্রবাসী পরিবারে বাংলা-ইংরেজি মেশানো গানও খুব স্বাভাবিক শোনায়। বড়দের পুজোর গান আর ছোটদের নাচের গান আলাদা আলাদা বানিয়ে রাখলে, রাতের দুই পর্বেই নিজেদের সুর বাজবে।
নাম, স্মৃতি, যেমন মেজাজ চান। যা ইচ্ছা বাদ দিতে পারেন।
কথা, সুর, কণ্ঠ আর কভার আর্ট — সবই আপনার উত্তর ঘিরে তৈরি।
MP3 ডাউনলোড করুন, লিংক শেয়ার করুন, অথবা সেখানেই বাজিয়ে দিন।
হ্যাঁ, বাংলাতেই। চাইলে হিন্দি, ইংরেজি বা অন্য ভাষাতেও — চল্লিশটিরও বেশি ভাষায় গান গাওয়া যায়, আর বর্ণনা যে ভাষাতেই লিখুন, গানের ভাষা আলাদা বেছে নিতে পারেন।
যায়। আপনাদের বাড়ির পুজোয় কী বলা বা গাওয়া হয়, তা বর্ণনায় লিখুন, আর জানিয়ে দিন সুরটা ভক্তিমূলক হবে না উৎসবের — লিরিকে ছোট একটা প্রণাম বা প্রার্থনা থাকতে পারে।
চলবে। আপনার বানানো গান ব্যক্তিগত আর বাণিজ্যিক দুই কাজেই ব্যবহার করা যায়, তাই খদ্দের, সহকর্মী বা টিমের জন্য গান বানাতে বাধা নেই।
হতে পারে। ভূত চতুর্দশীর গা-ছমছমে মজা, প্রদীপ গোনা আর নাড়ু চুরির গল্প দিয়ে ছোট, লাফানো একটা গান চান — সঙ্গে বাড়ির ছোটদের নাম।
হ্যাঁ, নতুন অ্যাকাউন্টে প্রথম গান বিনামূল্যে, কার্ডের তথ্য লাগে না। তারপর গান তৈরি হয় সাবস্ক্রিপশন বা একবারের প্যাকের ক্রেডিটে।
বলুন গানটা কার জন্য আর কী ঘটেছে। বাকিটা আমরা সামলে নেব।