
গলা ছেড়ে গান
Pop, female vocals · 2:39
“সেরা বন্ধুদের সাথে গরমের ছুটিতে লং ড্রাইভ, জানালা খোলা, গলা ছেড়ে গান”
এমন একটি তৈরি করুন
উৎসব ও বিশেষ দিন
স্যারের নাম, যে বিষয়টা তিনি সহজ করে দিয়েছিলেন, ক্লাসের সবার মুখস্থ তাঁর সেই বুলি — সব মিলিয়ে একটা গান, যা পুরো ক্লাস একসঙ্গে উপহার দিতে পারে।
এই গানটা বানানপ্রথম গান বিনামূল্যে — কার্ড লাগবে না।
তারিখ দেশভেদে আর বছরভেদে বদলায় — আপনার ওখানে কবে, এখানে দেখে নিন।
| 2026 | 2027 | 2028 | |
|---|---|---|---|
| ভারত | ৫ সেপ্টেম্বর | ৫ সেপ্টেম্বর | ৫ সেপ্টেম্বর |
৫ সেপ্টেম্বর সকালে স্কুলটা যেন উল্টে যায়: উঁচু ক্লাসের ছেলেমেয়েরা শাড়ি-পাঞ্জাবি পরে নিজেরাই ক্লাস নেয়, ব্ল্যাকবোর্ডে রঙিন চকে লেখা থাকে “শুভ শিক্ষক দিবস”, টেবিলে রজনীগন্ধার স্টিক, আর স্যার-দিদিমণিরা ঢুকেই পান প্রণাম আর হাতে বানানো কার্ড। এই আয়োজনে ক্লাসের নিজের একটা গান থাকলে সেটাই হয়ে ওঠে সবচেয়ে মনে রাখার মতো উপহার — সবাই মিলে বানানো, দরজা খোলার মুহূর্তে বেজে ওঠা।
গান লিখতে বা সুর করতে জানতে হবে না। শিক্ষকের নাম, তিনি কী পড়ান আর এই বছরের দু-তিনটে ঘটনা লিখুন; সেই কথা দিয়েই লিরিক লেখা হবে, সুর বসবে, আসল কণ্ঠে গাওয়া হবে — প্রায় এক মিনিটে। অনুষ্ঠানে বাজান, ক্লাসের চ্যাট গ্রুপে দিন, বা পাঠিয়ে দিন সেই পুরোনো মাস্টারমশাইকে, যিনি জানেনই না যে আপনি আজও তাঁকে মনে রেখেছেন।

Pop, female vocals · 2:39
“সেরা বন্ধুদের সাথে গরমের ছুটিতে লং ড্রাইভ, জানালা খোলা, গলা ছেড়ে গান”
এমন একটি তৈরি করুনশিক্ষককে ক্লাস যে নামে ডাকে — “সেন স্যার”, “মিতা দিদিমণি”, “অঙ্কের মাস্টারমশাই”। মুখড়ায় ওই ডাকটাই সবচেয়ে আপন শোনায়।
তাঁর বিষয়ের একটা লাইন: ইতিহাসের সাল, বাংলা ব্যাকরণের সন্ধি, জ্যামিতির কম্পাস, বা বিজ্ঞানের সেই পরীক্ষা যা ক্লাসে ফেটে গিয়েছিল।
যে অধ্যায়টা কেউ বুঝত না, আর তিনি টিফিনের সময় বসে বুঝিয়ে দিয়েছিলেন — সেই ধৈর্যের কথা।
তাঁর বিখ্যাত বকুনি বা বুলি, যা পুরো ক্লাস নকল করতে পারে: “পেছনের বেঞ্চ, আমি সব দেখতে পাচ্ছি”।
সেদিন সকালে স্কুলে কী হয়: ছাত্রছাত্রীরা শিক্ষক সেজে ক্লাস নেয়, বোর্ড সাজানো হয়, ফুলের তোড়া আর প্রণাম। গানটা সেই সকালটাই বর্ণনা করতে পারে।
রোল কলের খাতা থেকে নাম, বা প্রত্যেক ছাত্রের একটা করে শব্দ — তিরিশজনের গলা একটা গানে।
এটা যদি তাঁর অবসরের আগের শেষ শিক্ষক দিবস হয়, বা আপনাদের শেষ বছর স্কুলে — সেই কথাটাই মুখড়া হয়ে উঠতে পারে।
চকের গুঁড়ো হাতে মেখে, হেসে বলতেন “আবার করো”,
মিতা দিদিমণি, তোমার ক্লাসে ভয়ও হত সাহস বড়ো,
নবম-খ আজ গাইছে তোমার নামে একটা গান —
শিক্ষক দিবসে নাও গো তুমি সবার মনের প্রণাম।
ভারতে শিক্ষক দিবস পালিত হয় ৫ সেপ্টেম্বর, দার্শনিক ও শিক্ষক ড. সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণনের জন্মদিনে; পশ্চিমবঙ্গের স্কুলে এই দিনে পড়াশোনা ছুটি নিয়ে উৎসবই চলে। বাংলাদেশে অনেক স্কুল-কলেজ ৫ অক্টোবর, বিশ্ব শিক্ষক দিবসে শিক্ষকদের সম্মান জানায়। গানের সুর বাছুন উপলক্ষ বুঝে: সবাই মিলে গাওয়ার জন্য চনমনে পপ, অবসরে যাওয়া শিক্ষকের জন্য নরম অ্যাকুস্টিক বা রবীন্দ্রসংগীতের মতো শান্ত চাল। মজা থাকুক বাড়ির কাজ আর পরীক্ষার খাতা নিয়ে — শিক্ষককে নিয়ে নয়, কথা থাকুক শ্রদ্ধার। প্রাক্তন ছাত্রছাত্রীরা মিলে পুরোনো স্কুলের প্রিয় শিক্ষককে গান পাঠালে, কথায় রাখুন কত বছর আগের ক্লাস আর আজ কে কোথায়।
নাম, স্মৃতি, যেমন মেজাজ চান। যা ইচ্ছা বাদ দিতে পারেন।
কথা, সুর, কণ্ঠ আর কভার আর্ট — সবই আপনার উত্তর ঘিরে তৈরি।
MP3 ডাউনলোড করুন, লিংক শেয়ার করুন, অথবা সেখানেই বাজিয়ে দিন।
যায়। প্রত্যেকের নাম আর একটা করে চিহ্ন লিখুন — খেলার স্যারের বাঁশি, লাইব্রেরির দিদির “চুপ!” — আর বলুন প্রতি অন্তরায় একজন করে আসুক, মুখড়ায় সবার জন্য একসঙ্গে ধন্যবাদ।
মানায়। ক্লাসের ঠাট্টা কমিয়ে রাখুন তাঁর পড়ানোর ধরন, থিসিস বা ল্যাবের দিনগুলো আর যে উপদেশ পেশাজীবনে কাজে লেগেছে; সুর রাখুন সংযত — অ্যাকুস্টিক বা পুরোনো দিনের আধুনিক গানের মতো।
যাবে। MP3 নামিয়ে যেকোনো যন্ত্রে বাজান, বা ক্লাসের কম্পিউটারের ব্রাউজারে লিংক খুলুন। লিরিক ভিডিও বানালে পর্দায় কথা ভেসে উঠবে, সবাই একসঙ্গে গাইতে পারবে।
হ্যাঁ। চল্লিশটিরও বেশি ভাষায় গান গাওয়া যায়, তাই বর্ণনা বাংলায় লিখেও গান চাইতে পারেন ইংরেজি, হিন্দি বা দুই ভাষা মিলিয়ে — যেটা শিক্ষকের বিষয়ের সঙ্গে মানায়।
নতুন অ্যাকাউন্টে প্রথম গানটা বিনামূল্যে, কোনো কার্ড লাগে না। পরের গানগুলো ক্রেডিটে তৈরি হয় — সাবস্ক্রিপশন বা একবারের প্যাক থেকে।
বলুন গানটা কার জন্য আর কী ঘটেছে। বাকিটা আমরা সামলে নেব।